মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৪

-কি কর ? 
-তা জেনে তোমার কি দরকার , যতোসব !
-আচ্ছা , তোমাকে কিছু জিজ্ঞেস করলে এমন কর কেন তুমি ?
-আমার কিছু ভাল লাগে না ।
-মন ভাল করার চেস্টা করব ? 
-লাগবে না ।
 . . . . . . . . ।
-মানে কি ?
-শুধু শুধু মন খারাপ করার কোন মানে আছে কি ?
-ওটা আমার ব্যাপার , তুমি বুঝবা না ।
-বুঝিয়ে বললেই হয় ।
- no needed .
-কেন ?
-আমার মন তুমি ভাল করবা কিভাবে ?
- কেন আমি কি মন ভাল করতে পারি না ?
- না ,  . . . . ।
-আচ্ছা , তোমাকে ফোন দিলে এভাবে কথা বল কেন তুমি ?
- ( নিশ্চুপ )
- ঠিক আছে আর কখনো তোমাকে ফোন দিব না , আর কখনো না ।
-অ্যাই ? দাঁড়াও বলছি ।
-কি ?
- আমি কোন সময় বললাম ফোন না দিতে ?
- না , ফোন করলে যেহেতু সবসময়ে অফ মুডে পাই তাই ফোন না দেয়াই ভাল না ?
- আমি কি করব মন খারাপ থাকলে ? আমি একটু অন্য রকম ।
-কি রকম ?
-একটু exceptional !
- বুঝলাম , তুমি example হীন exceptional ! হা হা হা ।
-দেখ , ফাজলামি করবা না । আমার এটাও পছন্দ না ।
-তোমার কি পছন্দ সেটা তো আমার জানা নেই । কি অভাগা আমি !
-যাই হোক , আর কথা বলতে পারছি না ,এখন রাখতে হচ্ছে ।
-ঠিক আছে , রাখছি । . . . . . . . . . . . . . . . . . ও দাঁড়াও ,দাঁড়াও ।ডিনার করেছ তো ?
-না ।
-কেন ?
- কতবার বলব এক কথা ? -হায়রে মন খারাপ !
- এখন না রাখলেই নয় ।
- ওকে ।have a nice sleep and . . . . . . . . . . . . . . . যা ! কথা শেষ না হতেই কেটে দিল ! আজব তো ।



*উপরের গল্পটা আরও ভালভাবে শেষ করা যেত । কিন্তু উপসংহার টুকু যে আমার জানা নেই ! তাই আর শেষ করতে পারলাম না । শুধু শুধু একগাদা লোককে বিভ্রান্তিতে ফেলাটা কি ঠিক হবে ?
________  আনমনা নিশাচর  ________

ওগো নিশীথিনী ,
তুমি আবার ফিরে এসেছ নতুন অস্তিত্বের সন্ধানে !
এক পুরনো সম্পর্কের মায়াজাল ভেদ করে ।

ওগো অভিমানী ,
তুমি আবার ছিনিয়ে নিয়েছ আমার নিশি কালটুকু !
এবার আমি চাইলেও তোমাকে না ভেবে থাকতে পারব না ।

ওগো সুহাসিনী ,
তোমার সেই বর্ষাস্নাত হাসিটুকু আবার কেন মনে আসছে ?
আমি জানি না ।
সেই হাসি যে আমার হৃদয়ে চৈত্রের দাবদাহ সৃষ্টি করেছিল !
আর ওভাবে হেসো না তুমি ।
. . . . . . . . . . . .
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
" এই যে এখানে আমি ! শুনতে পাচ্ছ ? "
" কে , কে ? কে ডাকছে অমন করে ! "
" আমি , এত সহজেই আমাকে ভুলে গেলে তুমি ? "
" কে , কে , তুমি ? "
" আমাকে চিনতে পারলে না তো ! যাও , তোমার সাথে আড়ি । "
. . . . . . . . . . . .
. . . . . . . . . . . . . . . . . . .
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
তারপর একটি ছুটে যাওয়ার শব্দ !
আমি তখনও বুঝতে পারি নি যে তুমি এসেছিলে আমার কাছে ,
এক " নিশাচর নিশীথিনী " হয়ে !
তবুও কি ভেবে আমি অনুসরণ করছি তোমাকে !
হাঁটতে হাঁটতে আমরা এক খাদের কিনারায় চলে এসেছি !
ওপারে দেখা যাচ্ছে এক অপরূপ স্বর্গ উদ্যান !
তুমি চোখের পলকে আমাকে ফেলে একাই চলে যাচ্ছ !
আমিও আসতে চাইলাম ,
কিন্তু কোথাও যে লুকিয়ে আছে একটি " নিষ্ঠুর নিষেধাজ্ঞা " !
. . . . . . . . . . . .
. . . . . . . . . . . . . . . . . .
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
আমি খাদের এপাশটায় পড়ে রইলাম ,
নিজেকে অসহায় , পরাজিত , নির্লজ্জ মনে হচ্ছে !
আমার কি কিছুই করার নেই ?
আমি এগিয়ে গেলাম . . . . . . . . . .
নিজেকে উড়িয়ে নিয়ে যেতে খুব ইচ্ছে করছে !
কিন্তু পারলাম না . . . . . . . .
এ কি ! আমি যে পড়ে যাচ্ছি খাদের ঠিক মাঝখানটায় !
. . . . . . . . . . .
. . . . . . . . . . . . . . .
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
ঘুমটা ভাঙল খুব সকালে !
আমি বিছানায় নই , খাটের নিচে !
বলা যায় , খাট থেকে " নিরাপদ দূরত্বে " !
. . . . . . . . . . . .
. . . . . . . . . . . . . . . . .
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
" আজ আবার ডাক্তারের কাছে যেতে হবে , ওর পাগলামিটা আবার বেড়েছে " - মা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন ।

শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৪

_________  " অচিন , তুমি , অচেনাতে "  ________
আজ আমি আবারও তোমায় নিয়ে লিখতে বসেছি !
যদিও তোমায় নিয়ে লিখাটা ঠিক হচ্ছে না ।
তোমায় ভাবতে গেলেও যে সম্পর্কের অনুসিদ্ধান্তের জটিল ধারাগুলো ভঙ্গ হবে !
তবুও তোমায় নিয়ে লিখতে বসেছি ।
মনে পড়ে তোমার ?
দিনটি ছিল এপ্রিলের কোন একটি উজ্জ্বল সকাল ,
তোমার নীল ফ্রেমের চশমায় আটকা পড়েছিল " মায়াবতী " চোখ দুটি !
তারপরও তুমি রহস্যময়ী !
ঠিকই বন্দী করলে আমায় ,
তোমার " অলিখিত প্রণয় " - এর আবরণে ! !
প্রথম দিন কিন্তু কথা হয়নি আমাদের ।
তোমার সেই নিশ্চুপ চাহনি আমাকে এখনও দোলা দেয় !
তুমি যে বড়ই " নির্লিপ্ত " !
সেটা তখনও যে আমি বুঝতে পারিনি ।
তবুও সেই নির্লিপ্ততায় আমি যে খুঁজে পেয়েছি এক " অস্থির চাঞ্চল্য " !
তুমি তাই নিশ্চুপ অভিমানী !
অভিমান করা তোমার একটি " শখ " হয়ত !
তাই তো তুমি আমাকে তোমায় বুঝতে দিলে না ।
আমি তাই সারা জীবনই তোমার কাছে " অদৃশ্য " হয়ে থাকব !
বা হয়ত কোন " অশুভ ছায়া " হয়ে !
আগে যে আমিও তোমার ছিলাম ,
এখন সেই অধিকারও যে আমি হারিয়ে ফেলেছি !
তাই কোন চিন্তা কর না তুমি ,
আমি আর তোমার চলার পথে " বাধা " হয়ে থাকব না !
আর কেউ কখনও বিরক্ত করবে না তোমায় !
আমার অবচেতন মনও এবার তোমায় নিয়ে করা চিন্তার পায়রাগুলোকে মুক্তি দেবে !
এবার খুশি হলে তো ?
ভাল থেক তুমি ।
c শাহ শিশির .০৯